গল্প: ডার্কেসী
ক্যাটাগরী: সাইন্স ফিকশন
লেখক: আশিকুর রহমান
পর্ব:৪
আমি বললাম," যদি ভাইরাসটা আপনি বানিয়ে থাকেন তাহলে এন্ডিডোট তো আপনার কাছে থাকার কথা।"
তিনিই খুবই করুনার সুর নিয়ে বললেন,
"না! আমার কাছে এখনো এন্টিডোট নেই । আমি বানানোর প্রয়োজন মনে করিনাই! তবে, এখন সেটা খুবই প্রয়োজন। যার জন্য তোমাদেরকে আমাকে সাহায্য করা লাগবে!"
ডেবিড বলল,
" কী ধরনের সাহায্য? আর! আপনি কী ভেবে দেখেছেন! আমরা যদি সঠিক সময়ে এন্টিডোট না বানাতে পারি তাহলে পৃথিবী কোথায় পৌছাবে? আর এদিকে হেইলি তো আটকা পড়েছে হায়াতোর কাছে। স্যার সে আপনার মেয়ে হয় ।আপনার কী তার জন্য চিন্তা হয়না?"
" হবেনা কেন?( করুন সুরে) ।আজ 1 মাস হয়ে গেলো হেইলির কোনো খোজ নেই।মেয়েটা কেমন আছে সেটাও জানা নেই। একজন বাবা তার মেয়েকে হারালে যেই ব্যাথাটা পায় সেই ব্যাথাটা আজ আমি পাচ্ছি। তবে, আমার মেয়ের থেকে গুরুত্বপূর্ন আমার পৃথিবী! "
প্রিস্টন বলল,
" স্যার এখন আমাদের কী করতে হবে!"
" শোন! আমাদেরকি গুগলের অফিস থেকে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে থাকা ফাইলগুলোকে আনতে হবে যদে পারো সেখানে থাকা কম্পিউটারের প্রোসেসরপা আনবে! কেননা, আমরা ডাইমেনশনাল ফ্রেস ভেঙে যদি অন্য ডাইমেনশন দিয়ে সেখানে যেতে পারি তাহলে আমাদের জন্য এটা খুব উপকারের হবে। আর হ্যা, গুজলের কোয়ান্টাম কম্পিউটারের প্রোসেসর দিয়ে আমরা আমদের নিজশ্ব Ufo চালাবো যেখানে, কোনো জ্বালানি লাগবে না। শুধু সূর্যের আলো দিয়ে আমরা Ufo টা ব্যাবহর করব। আর, মহাকাশে গেলে তো তোমরা সূর্যের কাছাকাছি থাকবে!"
আমি কথার মাঝখানে বললাম, "হেইলি ভিডিওতে বলেছিলো, সেখানে সূর্যের মতো বড় নক্ষত্র নেই। তাহলে আমরা চার্জ করবো কীভাবে?"
" চিন্তা করো না! তোমাদের বায়ো ইলেকট্রিক ফিল্ড থেকে রি এনার্জাইস করা যাবে। ডেভিড এখানে থেকে প্রতি মুহুর্তে তোমাদের সোলার পাওয়ারের সাথে সাথে বায়ো ইডি ফিল্ড রি এনার্জাইস করবে। আরেকটা কথা, এতে তোমাদের চোখের ঘুম চলে যাবে, তোমরা কিছু খেতে পারবে না।কেনানা; সবসময় মনে হবে তোমাদের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমান শক্তি আছে। তবে, খারাপ দিক হলো! যদি সময় মতো রি-এনার্জাইস না করা হয় তবে! তোমাদের জীবপ হুমকির মধ্যে পড়তে পারে। তাহলে তোমরা কী কাজটা করবে?"
আমরা সবাই হ্যা বোধক চিহ্ন দেখায়ে মাথা নাড়ালাম। স্যার বললেন, মাথা নাড়ানো পছন্দ করি না। মুখ থেকে বলো।"
আমরা সবাই জোড়ে চিৎকার দিয়ে বললাম, "ইয়েস স্যার"।
তবে, এবার আমাদের সামনে আরেকটা চেলেন্জ।
আমাদেরকে গুগলের অফিস থেকে গুগলের তৈরি কোয়ান্টাম কম্পিউটার চুরি করতে হবে । এটাই পৃথিবীর সর্বপ্রথম তৈরি কোয়ান্টাম কম্পিউটার। যেখানে লুকিয়ে আছে পদার্থবিজ্ঞানের হাজার হাজার রহস্য।
তবে,মুখের কথা তো আর ওতো সহজ নয় যে বললেই চুরি হয়ে গেলো!
আমি আর ডেবিড ঠিক করলাম দু-জনে মিলে কাজটা করবো যাতে ধরা পড়লেও বাকিরা আমাদেরকে সাহায্য করতে পারে। আর, আমরা সেখানে ফাইল কপি করতে যাবো কভ্পিউটারের পার্টস আনতে নয়। সুতরাং, কাজটা খুব গুরুত্বের সহকারে করতে হবে।
25 শে ডিসেম্বর দিনটা ঠিক করলাম। কারন, ঐ দিন ক্রিসভাস ডে। সেদিন গুগল তাদের টেক্সাসের অফিসে অনেক গেস্টদের ইনভাইট করবে আর ডেবিডও সেখানে যাবে কেননা একজন ভালো প্রোগ্রামার হওয়ার খাতিরে ডেবিড গুগলের অনেক টাস্ক করে দেয়। এদিকে, গুগলের নতুন সিও জনাথন এর সাথে ডেবিড এর খুব ভালো সম্পর্ক। ডেবিড চেয়েছিলো জনাথনকে এগুলো বলতে। তবে, আমিই নিষেধ করেছি । বলেছিলাম, যদি ধরা পড়ে যাই তাহলেই আমরা তাকে বলব। ডেবিড ও আমার কথায় শায় দেয়। এখন শুধু দিনের অপেক্ষা ভুল বললাম রাতের অপেক্ষা। কেননা, আমরা ফাইলটা রাতেই চুরি করব।
24 শে ডিসেম্বর! রাত 11 টা।
ডেবিড আর আমি গুগলেল পার্টিতে পৌছালাম। দেখলাম খুব সুন্দর করে সাজিয়েছে। এদিকে আমাদের সাথে প্রিস্টনও ছিলো। কেননা, ও আমার বেস্টফ্রেন্ড পার্টিতে না আনলে মন খারাপ করবে। তবে, তাকে এ বিষয়ে কিছু বলিনি কিন্তূ সে জানে আমদেরকে গুগলের কোয়ান্টাম কম্পিউটারের প্রোসেসর ও ফাইল চুরি করতে হবে।।
নিয়ম অনুযায়ী, সবাই এখানে আনন্দ উল্লাসে ব্যাস্ত। ডেবিডকে বললাম,
"ডেবিড? তাহলে তুমি নজর রাখো! আমি আসি"
ডেবিড মাথা নাড়িয়ে ইশারা করল।
আমি খুব সাবধানের শহিত এগোতে লাগলাম গুগলের সার্ভার রুমের দিকে। সামনেই দেখা যাচ্ছে রুমটা। তবে, রুমের কাছে যেতেই পড়লাম বিপদে। সেখানকার গার্ড বললেন,
"Where are you going Sir?"
"I am Exploring The Hall . Can I Enter The Room? :
"Sir ! YOUR invitation Card Please?"
"Which Card? I don't have this Bro"
"Ok? Your Code?"
"What the hell? Which code?"
খানিকবাদ দেখলাম প্রিস্টন আমার পেছনে দাড়িয়ে। গার্ড প্রিস্টনকে দেখতেই বললেন, হে! প্রিস্টন! তুমি এসেছো? কাজ রেডি"
আমি ঘাড় ঘুরিয়ে প্রিস্টনকে বললাম, তুমি এখানে?
" আর বলো না! এই গার্ডকে দেখতে পাচ্ছো? এর নাম লিভাই। আমি একে সব বলেছি। আর, এ কোয়ান্টামের সব রেডি করে রেখেছে!"
" তুমি আমাকে বলনি কেনো?"
" তুমি আমাকে বলেছিলে? "
" আসলে আমি তোমাকে বিপদে ফেলতে চাইনি"
" আমিও তোমাকে বিপদে ফেলতে চাইনি"
" ধন্যবাদ বন্ধু! "
গার্ড প্রিস্টনকে বলল, " এই নাও প্রোসেসর ও পেনড্রাইভ। এখানে ফাইল আছে"

0 Comments