গল্প: ডার্কেসী
লেখক: আশিকুর রহমান
পর্ব:২
আমি প্রিস্টনের কথা কান না দিয়ে নাসার অফিসিয়াল সাইটে ঢুকলাম। ঢোকার পর আমার মাথা আরও খারাপ হয়ে গেলো। হ্যা, আসলেই এটা সত্য । প্রিস্টনকে দেখালাম। প্রিস্টনও খুব চিন্তায় পরে গেলো। তার মানে এটা বাস্তব যে টেলিপোর্টেশন রয়েছে। খানিকবাদে মাথায় এলো, টাইম মেশিন যদি আবিষ্কার করতে পারি আমরা তাহলে এটা এমন কী?
কিছুক্ষন পর ডক্টর লি কে ফোন করলাম। বললাম, স্যার জরূরী কথা আছে আপনি দ্রুত বাসায় আসুন।
বলে রাখা ভালো আমি আর প্রিষ্টন দুজনেই মেডিকেল সাইন্সের স্টুডেন্ট। মানুষের দেহের বডি স্ট্রাকচার, দেহের সেগমেন্ট পরিবর্তন ইত্যাদি আমাদের পড়ার অংশ আর, ডক্টর লি আমাদের মেডিকেল সাইন্সের একজন শিক্ষক। আর, নিউজে যেই হায়াতোর কথা বলা হয়েছে সে আমাদের ক্লাসমেট। আমরা কখনো ভাবতে পারিনি সে এই কাজ করবে! যাই হোক। কিছক্ষন পর, ডক্টর লি বাসায় আসলেন! আমি তাকে নিউজটা দেখাতেই বললেন,
"জ্বী আমি এটা দেখেছি। আর, আমার খুব চিন্তা হচ্ছে!"
"কেনো? স্যার।"
" আসলে মহাকাশে যাওয়ার আগে আমি তাকে বায়োফিল্ড এনার্জি নিয়ন্ত্রনের একটা ফাইল দিয়েছিলাম যা দিয়ে বাটার ফ্লাই গ্যালাক্সিতে নিজের অস্তীত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব।"
"তাহলে এখন কী হবে?"
" চিন্তা করো না। আমার কাছে ফাইলের কপি আছে। এটা তুমি রাখো। পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে যায় তাহলে এটা ব্যবহার কারবে। আর, আমার ল্যাবে এন্টি গ্রাভিটি ক্রিষ্টাল রয়েছে যা খুবই মূল্যবান। আমি তোমাকে ঐগুলো দিবো। আর, যেহেতু এই প্রোজেক্টে আমার ইনস্টিটিউট জড়িত সুতরাং, বুজতেই পারছো পৃথিবীতে ভয়ানক কিছু ঘটার কারন আমরাই হবো!"
কেনো জানি মুহুর্তের মধ্যে নিউজটা ভাইরাল হয়ে গেলো। আমেরিকার স্পেস স্টেশন থেকে আমাদের কাছে চিঠি এলো। চিঠিটার নিম্নরুপ,
" বরাবর,
রুট সাইন্স ওফ ইনস্টিউট,টেক্সাস
আপনারা হয়তো অবগত হয়েছেন যে ইতোমধ্যে একট নিউজটা ভাইরাল হয়েছে। যেখানে, আপনার ইনস্টিটিউটের সদস্যদের পাঠিয়ে ছিলাম "বাটার ফ্লাই" গ্যালাক্সির জীবতত্ব জানার জন্য! কিন্তু, সে এই পৃথিবী বাসির জন্য বেঈমানি করলো।
সুতরাং বলতে হচ্ছে, অতি শিঘ্রই যদি তার সাথে কোনো বোঝাপড়া না করেন তাহলে আমরা আপনার বিরুদ্ধে স্টেটমেন্ট নিতে বাধ্য হবো"
- স্পেস স্টেশন
আমরা কয়েকবার হায়াতোর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলাম কিন্তু ব্যার্থ। এদিকে ডক্টর লি চিন্তায় পড়ে গেলেন। তাকে জিজ্ঞাস করলাম,
" স্যার কোনো উপায় কী তাহলে নেই?"
তিনি মাথা নিচু করে রইলেন অনেক্ষন। হঠাৎ, মাথা উচু করে ঘাড় ঘুরিয়ে আমাকে বললেন, একটা উপায় আছে। যদি তুমি আর তোমার বাকি সদস্যরা রাজি হও"
আমি কৌতুহল বর্নিত মুখ নিয়ে তাকে বললাম, "কী স্যার! যার মাধ্যমে আমরা হায়াতোর সাথে যোগাযোগ করতে পারি?"
তিনি দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলে বললেন, তোমাদেরকে
"বাটার ফ্লাই " গ্যালাক্সিতে যেতে হবে।"
আমি মাথা নিচূ করে বললাম , " আমাকে ভেবে দেখতে হবে স্যার। আর, আমার বাকি টিমদেরও রাজি করাতে হবে"
এভাবে দিন যায় দিন আসে,
অনেক দিন পর একটা মেইল ভিডিও আসলো ডক্টর লি এর মেইল এড্রেসে। ভিডিওটা হায়াতোর ছিলো। ভিডিওর কথাগুলো এমন ছিলো,
" হ্যালো ডক্টর লি। চিনতে পারছেন আমায়? আমি হায়াতো। মনে পড়ে, আপনার ইনস্টিটিউট আমার বাবাকে বের করে দিয়েছিলো শুধুমাত্র তিনি 'কসমোস 'গ্যালাক্সিতে যেতে চেয়েছিলো বলে? কেননা, ঐ গ্যালাক্সিতে এন্টিগ্রাভিটির ক্রিষ্টাল পাওয়া যায়। যাকে ব্যবহার করে আমরা অনায়েসে পৃথিবীকে মহাবিশ্বের যেকোনো জায়গায় নিযে পারি সে জন্য? এটা কি ভালো ছিলো না? এতে, আমরা আরও রহস্য জানতে পারতাম। কিন্তু, আপনারা এর ঘোর বিরোধিতা করলেন। বললেন; সৃষ্টিকর্তা আমাদের এতো ক্ষমতা দেননি। তিনি যখন আমাদের ক্ষমতা দেন তখন নিশ্চই কোনো কারন থাকে। আমরা প্রয়োজনের তাগিদে নতুন কিছু আবিষ্কর করি অযথা না। আর, আপনারা আরও বললেন, সৃষ্টিকর্তা আমাদের মিল্কিওয়ে তে পাঠিয়েছেন তাই এটা ছেড়ে আমরা কোথাও যাবো না। তিনি অন্য কোথাও জীবের সন্ধান রাখলে সেই জায়গা তাদের জন্য। কী দোষ করেছিলো আমার বাবা? এইটুকুর জন্য আপনারা তাকে বের করে দিলেন? আর শেষমেষ সে আত্মহত্যা করল। আমি অপেক্ষায় ছিলাম কোনদিন আমি পৃথিবী থেকে বের হবো আর রাজত্ব করবো। আর আজ সেই সুযোগ আমি হাত ছাড়া করবো না। এই দেখুন, আমি রোবট বানাচ্ছি আর খুব শিঘ্রই আপনারা পূথিবীতে কিছু নতুন সারপ্রাইজ পেতে চলেছেন।"
মেইলটা দেখে আমার মাথাটা ঘুরতে লাগল। আমি প্রিস্টনকে কিছু বলার আগে সে একটা চিৎকার দিলো। ঘারটা ঘুরাতেই দেখি ......
3য় পর্ব 20.04.20 রাত 9 টায় প্রকাশিত হবে ধন্যবাদ
লেখক: আশিকুর রহমান
পর্ব:২
আমি প্রিস্টনের কথা কান না দিয়ে নাসার অফিসিয়াল সাইটে ঢুকলাম। ঢোকার পর আমার মাথা আরও খারাপ হয়ে গেলো। হ্যা, আসলেই এটা সত্য । প্রিস্টনকে দেখালাম। প্রিস্টনও খুব চিন্তায় পরে গেলো। তার মানে এটা বাস্তব যে টেলিপোর্টেশন রয়েছে। খানিকবাদে মাথায় এলো, টাইম মেশিন যদি আবিষ্কার করতে পারি আমরা তাহলে এটা এমন কী?
কিছুক্ষন পর ডক্টর লি কে ফোন করলাম। বললাম, স্যার জরূরী কথা আছে আপনি দ্রুত বাসায় আসুন।
বলে রাখা ভালো আমি আর প্রিষ্টন দুজনেই মেডিকেল সাইন্সের স্টুডেন্ট। মানুষের দেহের বডি স্ট্রাকচার, দেহের সেগমেন্ট পরিবর্তন ইত্যাদি আমাদের পড়ার অংশ আর, ডক্টর লি আমাদের মেডিকেল সাইন্সের একজন শিক্ষক। আর, নিউজে যেই হায়াতোর কথা বলা হয়েছে সে আমাদের ক্লাসমেট। আমরা কখনো ভাবতে পারিনি সে এই কাজ করবে! যাই হোক। কিছক্ষন পর, ডক্টর লি বাসায় আসলেন! আমি তাকে নিউজটা দেখাতেই বললেন,
"জ্বী আমি এটা দেখেছি। আর, আমার খুব চিন্তা হচ্ছে!"
"কেনো? স্যার।"
" আসলে মহাকাশে যাওয়ার আগে আমি তাকে বায়োফিল্ড এনার্জি নিয়ন্ত্রনের একটা ফাইল দিয়েছিলাম যা দিয়ে বাটার ফ্লাই গ্যালাক্সিতে নিজের অস্তীত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব।"
"তাহলে এখন কী হবে?"
" চিন্তা করো না। আমার কাছে ফাইলের কপি আছে। এটা তুমি রাখো। পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে যায় তাহলে এটা ব্যবহার কারবে। আর, আমার ল্যাবে এন্টি গ্রাভিটি ক্রিষ্টাল রয়েছে যা খুবই মূল্যবান। আমি তোমাকে ঐগুলো দিবো। আর, যেহেতু এই প্রোজেক্টে আমার ইনস্টিটিউট জড়িত সুতরাং, বুজতেই পারছো পৃথিবীতে ভয়ানক কিছু ঘটার কারন আমরাই হবো!"
কেনো জানি মুহুর্তের মধ্যে নিউজটা ভাইরাল হয়ে গেলো। আমেরিকার স্পেস স্টেশন থেকে আমাদের কাছে চিঠি এলো। চিঠিটার নিম্নরুপ,
" বরাবর,
রুট সাইন্স ওফ ইনস্টিউট,টেক্সাস
আপনারা হয়তো অবগত হয়েছেন যে ইতোমধ্যে একট নিউজটা ভাইরাল হয়েছে। যেখানে, আপনার ইনস্টিটিউটের সদস্যদের পাঠিয়ে ছিলাম "বাটার ফ্লাই" গ্যালাক্সির জীবতত্ব জানার জন্য! কিন্তু, সে এই পৃথিবী বাসির জন্য বেঈমানি করলো।
সুতরাং বলতে হচ্ছে, অতি শিঘ্রই যদি তার সাথে কোনো বোঝাপড়া না করেন তাহলে আমরা আপনার বিরুদ্ধে স্টেটমেন্ট নিতে বাধ্য হবো"
- স্পেস স্টেশন
আমরা কয়েকবার হায়াতোর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলাম কিন্তু ব্যার্থ। এদিকে ডক্টর লি চিন্তায় পড়ে গেলেন। তাকে জিজ্ঞাস করলাম,
" স্যার কোনো উপায় কী তাহলে নেই?"
তিনি মাথা নিচু করে রইলেন অনেক্ষন। হঠাৎ, মাথা উচু করে ঘাড় ঘুরিয়ে আমাকে বললেন, একটা উপায় আছে। যদি তুমি আর তোমার বাকি সদস্যরা রাজি হও"
আমি কৌতুহল বর্নিত মুখ নিয়ে তাকে বললাম, "কী স্যার! যার মাধ্যমে আমরা হায়াতোর সাথে যোগাযোগ করতে পারি?"
তিনি দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলে বললেন, তোমাদেরকে
"বাটার ফ্লাই " গ্যালাক্সিতে যেতে হবে।"
আমি মাথা নিচূ করে বললাম , " আমাকে ভেবে দেখতে হবে স্যার। আর, আমার বাকি টিমদেরও রাজি করাতে হবে"
এভাবে দিন যায় দিন আসে,
অনেক দিন পর একটা মেইল ভিডিও আসলো ডক্টর লি এর মেইল এড্রেসে। ভিডিওটা হায়াতোর ছিলো। ভিডিওর কথাগুলো এমন ছিলো,
" হ্যালো ডক্টর লি। চিনতে পারছেন আমায়? আমি হায়াতো। মনে পড়ে, আপনার ইনস্টিটিউট আমার বাবাকে বের করে দিয়েছিলো শুধুমাত্র তিনি 'কসমোস 'গ্যালাক্সিতে যেতে চেয়েছিলো বলে? কেননা, ঐ গ্যালাক্সিতে এন্টিগ্রাভিটির ক্রিষ্টাল পাওয়া যায়। যাকে ব্যবহার করে আমরা অনায়েসে পৃথিবীকে মহাবিশ্বের যেকোনো জায়গায় নিযে পারি সে জন্য? এটা কি ভালো ছিলো না? এতে, আমরা আরও রহস্য জানতে পারতাম। কিন্তু, আপনারা এর ঘোর বিরোধিতা করলেন। বললেন; সৃষ্টিকর্তা আমাদের এতো ক্ষমতা দেননি। তিনি যখন আমাদের ক্ষমতা দেন তখন নিশ্চই কোনো কারন থাকে। আমরা প্রয়োজনের তাগিদে নতুন কিছু আবিষ্কর করি অযথা না। আর, আপনারা আরও বললেন, সৃষ্টিকর্তা আমাদের মিল্কিওয়ে তে পাঠিয়েছেন তাই এটা ছেড়ে আমরা কোথাও যাবো না। তিনি অন্য কোথাও জীবের সন্ধান রাখলে সেই জায়গা তাদের জন্য। কী দোষ করেছিলো আমার বাবা? এইটুকুর জন্য আপনারা তাকে বের করে দিলেন? আর শেষমেষ সে আত্মহত্যা করল। আমি অপেক্ষায় ছিলাম কোনদিন আমি পৃথিবী থেকে বের হবো আর রাজত্ব করবো। আর আজ সেই সুযোগ আমি হাত ছাড়া করবো না। এই দেখুন, আমি রোবট বানাচ্ছি আর খুব শিঘ্রই আপনারা পূথিবীতে কিছু নতুন সারপ্রাইজ পেতে চলেছেন।"
মেইলটা দেখে আমার মাথাটা ঘুরতে লাগল। আমি প্রিস্টনকে কিছু বলার আগে সে একটা চিৎকার দিলো। ঘারটা ঘুরাতেই দেখি ......
3য় পর্ব 20.04.20 রাত 9 টায় প্রকাশিত হবে ধন্যবাদ

0 Comments